মৌসুমি সবজি, ফল উৎপাদনের পাশাপাশি গরু, দুগ্ধজাত গাভী ও কুরবানির উপযোগী ষাঁড় পালন করা হয়।

Search

In Stock

সর ঘি

ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে দুধের সর আলাদা করে দীর্ঘক্ষণ জ্বাল দিয়ে তৈরি। গাঢ় সুবাস, তাই অল্প পরিমাণেই খাবারে ঘ্রাণ ও স্বাদ আসে।

• দুধের সর থেকে তৈরি, ক্রিম থেকে নয়
• নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত
• ওজন: ৫০০ গ্রাম

1,050.00৳ 

৫০০ গ্রাম

সর ঘি-এর পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা:

  • হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় ক্রিম ঘি: ঘি-তে থাকে উচ্চমাত্রার ভিটামিন K2, যা ক্যালসিয়ামের শোষণে সাহায্য করে এবং হাড়কে করে মজবুত ও সুগঠিত। এটি অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়াও এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড জয়েন্টের ব্যথা এবং আর্থ্রাইটিসের উপশমে কার্যকর।
  • চুল পড়া রোধ ও চুলের স্বাস্থ্য: খালি পেটে অল্প পরিমাণ ঘি গ্রহণ করলে শরীর অভ্যন্তরীণভাবে পুষ্ট হয়, যা চুলের গোঁড়া শক্ত করে ও চুল পড়া রোধ করে। মাথার ত্বকে ঘি মালিশ করলে খুশকি ও রুক্ষতা দূর হয় এবং চুল হয় নরম ও উজ্জ্বল।
  • উপকারী কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে: ঘি-তে থাকে HDL বা “ভালো কোলেস্টেরল” যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড (CLA) হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখতে, কোষ সুরক্ষা করতে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে।
  • মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি: ঘি-তে থাকা ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড নিউরনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এটি মস্তিষ্কের গঠন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমারসের মতো রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
  • দ্রুত শক্তি প্রদানকারী: ঘি-তে থাকে মিডিয়াম চেইন ট্রাইগ্লিসারাইডস (MCTs), যা শরীর সহজেই শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে। খেলোয়াড় এবং ফিটনেস অনুরাগীরা দৌড় বা ব্যায়ামের আগে গাওয়া ঘি খেলে দ্রুত এনার্জি পান এবং সহনশক্তি বাড়ে।
  • হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক: ঘি প্রাকৃতিক বাটাইরিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে হজম শক্তি উন্নত করে। কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে নিয়মিত ঘি গ্রহণ উপকারী।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ঘি-তে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস শরীরকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এটি ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে ও দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণে ঘি: যথোপযুক্ত পরিমাণে খাঁটি ঘি গ্রহণ করলে এটি অতিরিক্ত ক্ষুধা দমন করে ও বিপাক হার (Metabolism) বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
  • ক্ষত সারানোয় সহায়ক: ঘি-তে থাকা CLA এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান শরীরের ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। এজন্য সন্তান জন্মের পর নারীদের ঘি খাওয়ানো হয়।
  • পজিটিভ শক্তি ও মেজাজ উন্নত করে: আয়ুর্বেদ মতে, ঘি হলো ‘সাত্ত্বিক’ খাবার, যা শরীর-মনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ভাল রাখতে সহায়ক।
  • দীর্ঘস্থায়ী ও নষ্ট না হওয়া খাদ্য: খাঁটি ঘি সংরক্ষণে দীর্ঘস্থায়ী, ফ্রিজ ছাড়াও বছরের পর বছর ভালো থাকে। এটি কোনো প্রিজারভেটিভ ছাড়াই দীর্ঘ সময় নষ্ট হয় না।

পেমেন্ট পদ্ধতি:

✅ অনলাইন পেমেন্ট (ব্যাংক ও মোবাইল পেমেন্ট এর মাধ্যমে)

✅ ক্যাশ অন ডেলিভারি 

ডেলিভারি শর্তাবলী:

✅ শুধুমাত্র ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় হোম ডেলিভারি সুবিধা

সর ঘি কী?

সাধারণ ঘি তৈরি হয় ক্রিম বা মাখন থেকে। সর ঘি আরও পুরোনো পদ্ধতিতে তৈরি। দুধ থেকে সর আলাদা করে সেই সরকে অনেকক্ষণ ধরে জ্বাল দেওয়া হয়। এতে ঘিয়ের ঘ্রাণ গাঢ় ও আকর্ষণীয় হয়। সময়সাপেক্ষ বলে এই পদ্ধতিতে খুব কম জায়গাতেই ঘি তৈরি হয়। শুদ্ধ খামার তার মধ্যে একটি।

 

কেন সর ঘি আলাদা?

• ক্রিম ঘির তুলনায় এর সুবাস বেশি গাঢ়। আমাদের অভিজ্ঞতায় অল্প পরিমাণ সর ঘিই খাবারে যথেষ্ট ঘ্রাণ দেয়।

• প্রাচীন পদ্ধতিতে, দীর্ঘক্ষণ জ্বাল দিয়ে তৈরি।

• কোনো কৃত্রিম ফ্লেভার বা অন্য চর্বি মেশানো হয় না।

 

কীভাবে খাবেন?

গরম ভাত, পোলাও, বিরিয়ানি, পিঠা বা পরোটা, যেকোনো খাবারে সামান্য সর ঘি যোগ করলেই ঘ্রাণ পাওয়া যায়।

 

প্যাকেট ও ডেলিভারি

ওজন ৫০০ গ্রাম। ডেলিভারি চার্জ ১০০ টাকা (ঢাকার ভেতরে ও বাইরে)।

Back to Top
Any queries?
Product has been added to your cart